উল্লেখ্য, এখানে ২০৪টি পরিবারের পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংসদ প্রতিমা ভৌমিক, সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা, বিধায়ক পরিমল দেববর্মা, বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং, বিধায়ক শম্ভুলাল চাকমা, এমডিসি ভূমিকানন্দ রিয়াং, মুখ্যসচিব মনোজ কুমার, ধলাই জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা গোবেকর ময়ূর রতিলাল ও জেলার পুলিশ সুপার কিশোর দেববর্মা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সুদীর্ঘ ২৩ বছর পর প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় ও রাজ্য সরকারের উদ্যোগে রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসনের কাজ রাজ্যে শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২৩ বছর পর এই প্রথম আমবাসা মহকুমার হাদুকলাউতে ২০৪টি শরণার্থী পরিবারের প্রথম পর্যায়ে পুনর্বাসন দেওয়ার কাজ শুরু হলো।
এখানে আরও কিছু রিয়াং পরিবার পুনর্বাসন পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে ১৩টি এলাকায় রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসনের স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। রাজ্যের ১২টি এলাকায় অবশিষ্ট রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে৷
রাজ্যে মোট ৩৬ হাজার ১৪০ জন শরণার্থীদের পুনর্বাসন দেওয়া হবে। এজন্য ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার প্যাকেজ প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে রিয়াং শরণার্থীদের পুনর্বাসনের কাজ ত্বরান্বিত হবে।
একাজে সফলতার জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন হাদুকলাউতে পুনর্বাসনপ্রাপ্ত রিয়াং পরিবারগুলি নিজেদের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক রাখার পাশাপাশি এই এলাকার অন্যান্য জনজাতি ও জাতি সহ সকলের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠবে।অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক পরিমল দেববর্মা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ধলাই জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা গোবেকর ময়ূর রতিলাল।