আগের গবেষণাটি ছিল ট্রায়ালে নতুন গবেষণায় ৬৫ বছর কিংবা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেসব ব্যক্তি করোনার টিকা নেননি, তাদের সঙ্গে তুলনার করে এই ফলাফল পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-সিডিসি।সিডিসি’র ডিরেক্টর রশেল ওয়ালেনস্কি এই গবেষণার বিষয়ে বলেছেন, ‘পরীক্ষার ফল আমাদের অনেক বেশি আশাবাদী করে তুলেছে। টিকাকরণ যত বাড়বে আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আশঙ্কা তত কমবে। তার ফলে দেশের স্বাস্থ্য পরিষেবার উপর চাপ কমবে।’
ব্রিটেনে হওয়া আর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ফাইজার ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার একটি টিকা নিলে বাড়ির মধ্যে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়। ‘পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড’-এর এক দল গবেষক দাবি করেছেন, টিকা দেওয়ার দুই সপ্তাহ পর থেকে এই প্রভাব দেখা যাচ্ছে। এই গবেষণায় বলা হয়েছে, যারা প্রথম ডোজ নেয়ার তিন সপ্তাহ পরে সংক্রমিত হয়েছেন, তারা বাড়ির লোকদের মধ্যে ৩৮ থেকে ৪৯ শতাংশ কম করোনা ছড়ান।
এই তুলনাটা করা হয়েছে, যারা ভ্যাকসিন না নিয়ে সংক্রমিত হয়েছেন, তাদের সঙ্গে। ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলছেন, ‘এটা বড় সংবাদ। আমরা ইতিমধ্যে জানি যে ভ্যাকসিন জীবন রক্ষা করে, এখন বোঝা যাচ্ছে ভাইরাসের ট্রান্সমিশনও কম হচ্ছে।’‘এই গবেষণা আবার এটা নিশ্চিত করছে যে মহামারী ঠেকাতে ভ্যাকসিনই সবচেয়ে ভালো উপায়।’