যারা চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেন সরবরাহ তদারকি করছে। COVID-19-এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একাধিক বৈঠকের তালিকা বানানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ১১টি কুইক রেসপন্স টিম বানিয়েছে যারা রাজ্যের সঙ্গে ২৪ ঘন্টা সামঞ্জস্য রেখে চলেছে। হলফনামায় দাবি করা হয়েছে, সেপ্টেম্বরের পর থেকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস ঘটলেও, কেন্দ্র নাগরিকদের রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিকল্পনা করার জন্য রাজ্যগুলিকে সতর্ক করেছিল।
আরও বলা হয়েছে গোটা বিশ্বের মধ্যে ভারতে সবথেকে দ্রুত গতিতে টিকাকরণ হচ্ছে ভারতে। এখনও পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কোটি নাগরিককে টিকা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার আবারও সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা অক্সিজেনের ঘাটতি, ওষুধ, ভ্যাকসিন এবং অন্যান্য মেডিক্যাল সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়ে বিভিন্ন রাজ্যের হাইকোর্টের শুনানি থামাচ্ছে না।রাজ্যের হাইকোর্টের শুনানি বন্ধ করার মতো তাঁর কোনও উদ্দেশ্য নেই।সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল যে আমরা হাইকোর্টের পরিপূরক কাজ করব।হাইকোর্ট করোনার মামলার শুনানি চালিয়ে যাবে।
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট কেবলমাত্র জাতীয় ইস্যুতে শুনানি করবে। জাতীয় সংকটে সুপ্রিম কোর্ট মুখ বন্ধ করে থাকতে পারে না। তিন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচুড়, বিচারপতি এনএল রাও এবং বিচারপতি রবীন্দ্র এস ভট্টের একটি বেঞ্চ বলেছেন, ‘দুর্যোগকালীন সময়ে হাইকোর্টের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা উচ্চ আদালত শুনানি বন্ধ করে দিচ্ছি না। আমরা পরিপূরক ভূমিকা পালন করছি, কোনো সমস্যা মোকাবিলায় হাইকোর্টের কোনও সমস্যা হলে, আমরা সহায়তা করব ” মঙ্গলবার কোভিড সঙ্কট পরিস্থিতি সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে রাজ্যগুলির কাছে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর বিশদ রিপোর্ট চায় সুপ্রিম কোর্ট।
বাড়তে থাকা সংক্রমণ সামাল দেওয়ার মতো পরিকাঠামো রাজ্যগুলির আছে কিনা, তা নিয়েও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রকে প্রশ্ন করা হয়, আগামী এক সপ্তাহে দেশের অক্সিজেন চাহিদা মেটানোর জন্য কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। চাহিদা ভিত্তিক কতটা যোগান আছে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। যে সমস্ত এলাকায় করোনা সংক্রমণ বেশি সেখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মী আছে কিনা, তা নিয়েও জানাতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।