ঘরের মাঠে শুরু থেকেই গোলের সুযোগ খুঁজতে থাকেন নেইমার-কিলিয়ান এমবাপ্পেরা। ১৫তম মিনিটে এগিয়েও যায় পিএসজি। আনহেল দি মারিয়ার কর্নার কিক থেকে হেডে সিটিজেনদের জাল খুঁজে নেন মারকুইনহোস। এরপর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায় গার্দিওলার দল। বিরতিতে যাওয়ার আগেই গোল শোধ করতে পারত সিটি। কিন্তু সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ফিল ফোডেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি তাদের।
৬৪তম মিনিটে পিএসজিকে সমতায় ফেরান কেভিন ডি ব্রুইন। বদলি হিসেবে মাঠে নামা জিনচেঙ্কোর কাছ থেকে বল পান বেলজিয়ান মিডফিল্ডার। এরপর ডি-বক্সের বাইরে থেকে প্রতিপক্ষের গোলপোস্টের কাছে থাকা সতীর্থকে বাড়িয়ে দেওয়ার মতো গতিহীন শট নেন তিনি। সেই শটই বোকা বানায় কেইলর নাভাসকে। বল এক ড্রপে কোস্টারিকান গোলরক্ষককে ধোঁকা দিয়ে পিএসজির জালে জড়ায়। সমতায় ফেরে সিটি।
এই ম্যাচে পিএসজির প্রাণভোমরা নেইমার ছিলেন বিবর্ণ আর এমবাপ্পেকে সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি গার্দিওলার রক্ষণভাগ। অন্যদিকে রিয়াদ মাহরেজের গোলে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে খেলার আশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিটি। প্রথম গোলের ৭ মিনিট পর দ্বিতীয় গোল হজম করে বসে পিএসজি। মাহরেজের বাম পায়ের ফ্রি-কিক ঝাঁপিয়ে পড়েও রুখতে পারেননি নাভাস। এরপরই ১০ জনের দল হয়ে পড়ে পিএসজি।
ইলকে গুন্দোগানকে পেছন থেকে ফাউল করে ৭৭তম মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সাবেক এভারটন মিডফিল্ডার ইদ্রিসা গয়ে। বাকি সময় খর্ব শক্তির দল নিয়ে আর সমতায় ফিরতে পারেনি পচেত্তিনোর দল। দুই দলের ফিরতি লেগ হবে বৃহস্পতিবার রাতে। ম্যানসিটির ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে। টানা দ্বিতীয়বারের মতো পিএসজিকে ফাইনালে যেতে হলে ২-০ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে। অন্যদিকে ড্র করলেই প্রথমবারের মতো ফাইনাল নিশ্চিত হবে ম্যানসিটির।