অনলাইন ডেস্ক, ২৮ এপ্রিল।। জিনেদিন জিদানের বিপক্ষে লড়াইয়ে এবারও উতরে গেলেন টমাস টুখেল। জার্মান কোচের দল চেলসি এবার জিজুর রিয়াল মাদ্রিদকে তাদেরই মাঠে গিয়ে রুখে দিয়েছে ১-১ গোলে।
এস্তাদিও আলফ্রেডো ডি স্তেফানোতে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ব্লুজরা। একের পর এক আক্রমণে রিয়ালের রক্ষণভাগ তটস্থ রাখে টুখেলের দল। গোলের সহজ সুযোগও নষ্ট করে তারা। তবে জাল খুঁজে পেতে তাদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি।
১৪তম মিনিটের সময় আন্তনিও রুদিগারের পাস থেকে বল পেয়ে ডি-বক্সের ভেতর গোলরক্ষক থিবু কোর্তোয়াকে ড্রিবলিংয়ে বোকা বানিয়ে রিয়ালের জালে বল পাঠান ক্রিশ্চিয়ান পুলিশিচ। গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে নিজেদের রক্ষণভাগ থেকে উপরে ওঠে আসে লস ব্লাঙ্কোসরা। প্রথমার্ধেই কোচ জিদানের মুখে স্বস্তি ফেরান করিম বেনজেমা।
বৃষ্টি ভেজা মাঠে চোখ ধাঁধানো গোল করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। ২৯তম মিনিটে জটলার মধ্যে এডার মিলিতাওয়ের মাথা ছুঁয়ে আসা বল প্রথমে মাথায় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরে হাফ-ভলিতে চেলসির জালে জড়িয়ে দেন বেনজেমা। চলতি আসরে ৩৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের এটি ষষ্ঠ গোল। চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় মোট ৭১ গোল নিয়ে সাবেক রিয়াল তারকা রাউল গঞ্জালেসকে ছুঁয়ে ফেলেছেন তিনি।
সমতা নিয়ে বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে লড়াই। শেষ ১৫ মিনিটে বাড়ে বৃষ্টির তোপও। তবে বল দখলের লড়াইয়ে দুই দলই ছিল সমান। লড়াইও শেষ হয় ১-১ ব্যবধানে। তবে অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে ফাইনালের পথে এগিয়ে আছে চেলসি। আগামী বুধবার ফিরতি লেগে ঘরের মাঠ স্টামফোর্ড ব্রিজে গোলশূন্য ড্র করলেই ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে ব্লুজদের।
এই নিয়ে জিদানের সঙ্গে টুখেলের দেখা হলো পাঁচবার। তার মধ্যে একবারও জিততে পারেননি রিয়ালের ফরাসি কোচ। তিনবারের ড্রয়ে হেরেছেন একবার। বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, পিএসজি ও চেলসির কোচ হিসেবে জিদানের রিয়ালের মুখোমুখি হন টুখেল।
এই ম্যাচ দিয়ে চেলসির সঙ্গে পুনর্মিলনী হলো ইডেন হ্যাজার্ডের। বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড মাঠে নামেন শেষ ২৫ মিনিট আগে। ২০১৯ সালে ব্লুজদের সঙ্গে ৭ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে রিয়াল যোগ দেন তিনি। তবে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নিয়ে আসতে পারেননি চেলসির ফর্ম। প্রতিনিয়ত তাকে লড়াই করতে হচ্ছে চোটের সঙ্গে।