এরপর একসঙ্গে একাধিক ছবিতে কাজ করার সুবাদে বন্ধুত্ব ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিষেক জানান, অমিতাভ বচ্চন তখন ‘মৃত্যুদাতা’ ছবিটি তৈরির তোড়জোড় করছেন। সেই ছবির শুটিং লোকেশন বাছাইয়ের কাজে ইউনিটের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডে পাঠানো হয় তাকেও। কারণ অভিষেক দীর্ঘদিন সেখানকার বোর্ডিং স্কুলে থেকে পড়াশোনা করেছেন, তাই ভালো জানাশোনা ছিল। তার কথায়, দিন দু-এক কাটানোর পর শুনলাম আমার ছোটবেলার বন্ধু ববি দেওল তার ডেবিউ ছবি ‘আউর প্যায়ার হো গ্যায়া’র শুটিংয়ের জন্য হাজির হয়েছে সেখানে।
ববিও যখন জানতে পারল আমিও রয়েছি একই এলাকায়, দেরি না করে আমাকে ডিনারের আমন্ত্রণ জানায়। এরপর ববির ছবির সেটে হাজির হতেই ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেয়। আর প্রথম দেখাতেই তাকে অসম্ভব ভালো লেগেছিল। এরপর হাসতে হাসতে অভিষেক বলেন, যদিও ঐশ্বরিয়া তখন সেই ছবির নায়িকা আর তিনি স্রেফ একজন ইউনিটের প্রোডাকশন বয়। তারপর অবশ্য অভিষেকের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ছবি ‘ঢাই আকসার প্রেম কে’-এর নায়িকা হয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। এরপর অনেক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেন। সম্প্রতি দাম্পত্য জীবনের ১৪ বছর পার করেছেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। তাদের সংসার আলো করে রয়েছে একমাত্র মেয়ে আরাধ্য।