আত্মঘাতী ব্যক্তির নাম তরুণ বণিক। জানা যায় তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বাপের বাড়িতে আশ্রিত। উদ্ধার করা সুইসাইড নোটে সে লিখে গেছে তার ছেলে মেয়েদের সঙ্গে ফোনেও কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না। তার এই মৃত্যুর জন্য সে তার শশুর শাশুড়ী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের দায়ী করেছে। বুধবার সকালে খবর পেয়ে তার স্ত্রী বাড়িতে ছুটে আসে। স্ত্রী নাম চম্পা সরকার বণিক। সুইসাইড নোট সম্পর্কিত বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সে জানায় তার ওপর দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন চালিয়ে আসছিল স্বামী। আকন্ঠ মদ্যপান করে বাড়িতে আসত।
ছেলে মেয়েদের মুখে ঠিকমতো আহার তুলে দেওয়া সম্ভব হতো না। গৃহ কতটি গৃহপরিচারিকার কাজ করেও সংসার চালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কিছুতেই স্বামীকে পথে আনা সম্ভব হয়নি। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত এক সপ্তাহ আগে দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ওই গৃহবধূ চাম্পা সরকার বলে বনকুমারি বাপের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এর মধ্যেই তার স্বামী ফাঁসিতে আত্মহত্যা করে। ঘটনার খবর পেয়ে এ ডি নগর থানার পুলিশ ছুটে আসে। ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ব্যাপারে একটি মামলা গ্রহণ করে এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।ঘর থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য নাম তরুণ বণিক মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয় সুইসাইড নোটে উল্লেখ করা হয় তরুণ বণিকের মৃত্যুর জন্য দায়ী তার শশুর শাশুড়ি সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন