এই তিন রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে একটি আগামী সরকারের নেতৃত্ব দেবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে এই তিন ব্যক্তির মধ্যে একজন জার্মানির আগামী চ্যান্সেলর হতে পারেন। সমালোচকদের মতে, শুধু জোর খাটিয়ে চ্যান্সেলর পদপ্রার্থীর মর্যাদা ছিনিয়ে নিলেন লাশেট। সিডিইউ দলের শীর্ষ নেতা ও নর্থরাইন ওয়েস্টফেলিয়া রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি নিজের দল, ইউনিয়ন শিবির ও গোটা দেশে মোটেই জনপ্রিয় নন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বাভেরিয়ার মুখ্যমন্ত্রী ও সিএসইউ দলের শীর্ষ নেতা মার্কুস স্যোডারকেই দুই দলের সম্মিলিত চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন বেশিরভাগ মানুষ।
কিন্তু লাশেট দলের পরিচালনামণ্ডলীর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সমর্থন আদায় করে নিজেকেই শিবিরের কাণ্ডারি হিসেবে তুলে ধরলেন। মঙ্গলবার স্যোডারও সেই সিদ্ধান্ত মেনে সেই লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন। কাগজেকলমে আরমিন লাশেট আগামী নির্বাচনে সিডিইউ ও সিএসইউ দলের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করলেও আগামী কয়েক মাসে তিনি দলীয় কর্মী ও ভোটারদের সমর্থন আদায় করতে কতটা সমর্থ হন, সে বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন ঘরে-বাইরের একাধিক নেতা ও বিশেষজ্ঞ।
লাশেটের প্রার্থিতার খবর প্রকাশিত হবার পর জনমত সমীক্ষায় ইউনিয়ন দলের প্রতি সমর্থন এক ধাপে আরও কমে গেছে। সমীক্ষা অনুযায়ী এখনই ভোটগ্রহণ হলে সবুজ দলই সবচেয়ে বেশি আসন পাবে। এমন বিরোধিতার মুখে ইউনিয়ন শিবিরে ঐক্যের উপর জোর দিয়েছেন আরমিন লাশেট। সমর্থনের জন্য তার জনপ্রিয় প্রতিদ্বন্দ্বী স্যোডারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি নির্বাচনী প্রচারে স্যোডারের কেন্দ্রীয় ভূমিকার প্রতিশ্রুতি দেন। সংঘাতের বদলে আপোষের রাজনীতিতে অভ্যস্ত লাশেট দলীয় ঐক্য ও ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে কতটা সফল হবেন, মঙ্গলবার থেকেই সেই প্রশ্ন উঠছে।