ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সু চি-র নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে মসনদ দখল করার পরে আসিয়ান আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন দেশটির সেনাপ্রধান। এরপরই বিরোধীরা এমন দাবি তুললেন। থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল জানিয়েছে, আসিয়ান সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর বহু শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধানও।
২৪ এপ্রিল থেকে শুরু ১০ দেশের বৈঠকে দেশটির ‘সংকট’ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। প্রতিবেশী দেশগুলো আলোচনার মাধ্যমে মিয়ানমারের সংকট নিরসন করতে চাইছে। তারা দেশটির সেনাবাহিনী এবং উৎখাত হওয়া সরকারের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার কথা বলছে। কিন্তু মিয়ানমার সেনাবাহিনী থেকে সেই প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার কোনো ইঙ্গিত এখনো পাওয়া যায়নি। মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পরপরই গত ৫ ফেব্রুয়ারি ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া দেশটির চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য আসিয়ানের বিশেষ বৈঠক আয়োজনের আহ্বান জানায়।
থাইল্যান্ড থেকে সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের আসিয়ানের বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা জানানো হলেও রয়টার্স থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্রকে ফোন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরোধী একটি পক্ষ শুক্রবার দেশটিতে জাতীয় ঐক্য সরকার (এনইউজি) গঠনের ঘোষণা দেয়। যাদের মূল লক্ষ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়। তারা আসিয়ান নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, এই মুহূর্তে জান্তা সরকারকে বৈঠকে রাখা মানে তাদের সমর্থন দেয়া।