জানা যায় এই অনলাইন সম্পর্ক চলাকালীন দেড় বছরের মধ্যে তাদের মধ্যে সাক্ষাৎ হয় মাত্র দুই দিন।যা নিজের মুখে স্বীকার করল অভিযুক্ত। ধর্মনগরের কলেজ রোডের বাসিন্দা বিশ্ব দেবনাথ। সে কর্মসূত্রে বহুদিন যাবত ব্যাঙ্গালোরে ছিল।ওইখান থেকেই ফেসবুকের মাধ্যমে শুরু হয় ওদের ভালোবাসা।সেই নাবালিকা মেয়ের সাথে ভালোবাসা পরিণত হয় বৈবাহিক সম্পর্কে।গত চার দিন আগে অভিযুক্ত বিশ্ব দেবনাথ ধর্মনগর থেকে আসামে গোহাটির কামরূপ জেলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় মেয়েটিকে ধর্মনগরে নিয়ে আসার জন্য।
অনলাইন সম্পর্কের জেরে অবুঝ নাবালিকা মেয়ে চলে আসে ওই ছেলের সাথে।নাবালিকা মেয়ের মার বক্তব্য অনুযায়ী গত চারদিন আগে ভোরবেলা ঘর থেকে বেরিয়ে যায় সেই নাবালিকা কন্যা।তারপর আর ঘরে ফিরে আসেনি।শুরু হয় খোজাখুজি।তার পর বাধ্য হয়ে মেয়ের পরিবারের পক্ষষ থেকে আসামের কামরুপ জেলার হাবিগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মেয়ের মা আরও জানান যে ধর্মনগরের একটি ছেলের সাথে উনার মেয়ের কথা হতো।সেই সূত্র ধরেই আসাম পুলিশ ত্রিপুরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় এবং ধর্মনগর থানার এ এস আই বিশ্বজিৎ দাসের নেতৃত্বে অভিযুক্ত বিশ্বজিত দেবনাথকে আটক করতে সক্ষম হয়। মঙ্গলবার অভিজুক্তকে ধর্মনগর আদালতে সোপর্দ করা হয়।