আগে ধারণা ছিল তিনি দেশ থেকে পালিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ গত বছর আগস্টে কায়রো থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বাসভবন থেকে এনক্রিপ্টেড মেসেজ পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছিল। সেই সব বার্তা তিনি দেশ ও বিদেশের ব্রাদারহুডের সদস্যদের পাঠিয়েছিলেন। ইজ্জতের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি ব্রাদারহুড সদস্য ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘাতের সময় তার সংগঠনের সদস্যদের হাতে অস্ত্র তুলে নিতে বলেছিলেন।
২০১৫ সালে সাবেক প্রসিকিউটর জেনারেলের হত্যার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ। সাবেক প্রসিকিউটর জেনারেল ছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুড আন্দোলনের বিরোধী। ইজ্জতের আইনজীবীরা অবশ্য এই রায় সম্পর্কে কিছু বলেননি। তবে ব্রাদারহুড আগে জানিয়েছিল, ইজ্জতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে তার অনুপস্থিতিতে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তাকে গ্রেপ্তারের পর আবার বিচার শুরু হয়। ২০১৩ থেকে গ্রেপ্তার হওয়া পর্যন্ত তিনি ছিলেন মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান।