যৌথ এ কমিটির কভিড-১৯ চেয়ার ওয়েই শেন লিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ৩০ বছরের কম বয়সীদের ক্ষেত্রে বিকল্প থাকলে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।’ তিনি জানিয়েছেন, কম বয়সীদের ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন না হলে, ঝুঁকি বিবেচনায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার চেয়ে অন্য টিকাগুলো বেশি কার্যকর। ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা এর আগে অক্সফোর্ডের টিকায় রক্ত জমাটের ঝুঁকি নেই বলে জানালেও, দুটি সংস্থাই মস্তিষ্কে রক্ত জমাটের কয়েকটি ঘটনা তদন্ত করেছে।
এতে দেখা যায়, এই টিকাপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে রক্তে প্লাটিলেট কম থাকলে রক্ত জমাটের ঘটনা ঘটছে, যা সেরিব্রাল ভেনাস সাইনাস থ্রম্বোসিস (সিভিএসটি) নামে পরিচিত। করোনাভাইরাসের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে বুধবার একই সাথে দুটি মূল্যায়নের ওপর রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। একটি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ইএমএ’র – এবং অপরটি যুক্তরাজ্যের মেডিকেল উপদেষ্টা সংস্থা এমএইচআরএ’র।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওষুধ কর্তৃপক্ষ বলছে, এই টিকার ঝুঁকির চাইতে সুফল অনেক বেশি, এটি অত্যন্ত কার্যকর এবং এটি মানুষের জীবন রক্ষা করছে। তবে ইএমএ বলছে, রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যাটিকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার একটি ‘অতি বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা উচিত।