অনলাইন ডেস্ক, ৭ মার্চ।। নারীদের প্রতি সহিংসতা রোধে ৪৫টি দেশের স্বাক্ষরিত চুক্তি থেকে তুরস্ক সরে আসার পর তাদের সতর্ক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কাউন্সিল অব ইউরোপের উদ্যোগে ২০১১ সালে ইস্তাম্বুলে চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন আঙ্কারার উদ্দেশ্যে বলেছেন, মানবাধিকারের বিষয়গুলোতে তুরস্কের সঙ্গে কোন সমঝোতা বা ছাড় দেয়া হবে না।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিচেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। লাইয়েন বলেন, ‘মৌলিক অধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য অনিবার্য বিষয়। লাইয়েনের সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট শার্ল মিশেল। তুরস্ক সরকারের সঙ্গে বৈঠকে তারা ২০১৬ সালের অভিবাসন চুক্তি নিয়েও আলোচনা করেন। ‘অবৈধ বহির্গমন ঠেকানো ও গ্রিস থেকে অবিলম্বে (অবৈধ অভিবাসী) ফেরত নেয়া শুরুর’ বিষয়ে তুরস্কের কাছে আহ্বান জানান তারা।
আলোচনা হয়েছে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক দিকগুলো নিয়েও। বিভিন্ন কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইউরোপ ও তুরস্কের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। বিশেষ করে ভূমধ্যসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সাইপ্রাস ও গ্রিসের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ইউরোপের সঙ্গে তুরস্কের উত্তেজনা বাড়তে থাকে। এমনকি গত ডিসেম্বরে তুরস্কের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়েও আলোচনা শুরু করে ইইউ। প্রথমে এই হুমকি অগ্রাহ্য করলেও পরে নরম হতে শুরু করেন এরদোয়ান। বিতর্কিত জলসীমানায় অনুসন্ধান বন্ধ করে আঙ্কারা। এর ধারাবাহিকতায় ইউরোপের সঙ্গে আলোচনার দ্বারও উন্মোচিত হয়।