শনিবার গোপন সূত্রে মাও ঘাঁটির খবর পেয়ে বিজাপুরের তারেম এলাকার সিলগার জঙ্গলে অভিযান চালাচ্ছিল সিআরপিএফ এবং রাজ্য পুলিশের এসটিএফ সহ যৌথ বাহিনী। তল্লাশির খবর পৌঁছে গেলে গা ঢাকা দিয়েই অতর্কিতে নিরাপত্তাবাহিনীর উপর হামলা চালায় মাওবাদীরা। ছত্তিশগড়ে সম্প্রতি মাও কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসেও নারায়ণপুর জেলায় সেনাবাহিনীর একটি বাস যাওয়ার সময় আইইডি বিস্ফোরণ ঘটায় মাওরা। চলতি সপ্তাহের সোমবারই মহারাষ্ট্রে পুলিশি তৎপরতায় বানচাল হয় বড়সড় নাশকতার ছক। টানা গুলির লড়াই শেষে নিহত হয় ৫ মাওবাদী।
শনিবার থেকে মহারাষ্ট্র পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সঙ্গে গড়চিরৌলিতে শুরু হয় গুলির লড়াই শেষ হয় সোমবার সকালে। গড়চিরৌলির জঙ্গল থেকে ৫ মাওবাদীর লাশ উদ্ধার হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ২ জন মহিলাও। তল্লাশিতে পরিত্যক্ত মাও ডেরা থেকে উদ্ধার হয় তিনটি প্রেশার কুকার বোমা। গতকাল পুরো বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেন ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভ‚পেশ বাঘেল। অমিত শাহ বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্র এবং রাজ্য একসঙ্গে লড়বে।’
একটি টুইটে শাহ বলেন, ‘আমি আমাদের বীর সেনাদের আত্মত্যাগের কাছে মাথানত করছি। তাদের ত্যাগ দেশবাসী কোনদিন ভুলবে না। নিহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। যারা দেশের শান্তি ভঙ্গ করার চেষ্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই জারি থাকবে। আহতদের দ্রæত আরোগ্য কামনা করছি।’ এদিন ছত্রিশগড়ের ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে টুইট করেন ভারতের প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দ। তিনি বলেন, ‘আমি গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। গোটা দেশের মানুষ ঘটনায় মর্মাহত এবং নিহতদের আত্মত্যাগ কোনদিন ভোলা সম্ভব নয়।’ তাৎপর্যপূর্ণভাবে, পুরো ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যাতেই টুইট করে শোক প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।