ওরা ধর্ম-জাতপাতের বিচার করেননি কোনওদিন। সব মানুষকে সমানভাবে সম্মান জানাতেন ওরা। ওদের বাড়ির দরজা সকলের জন্যই খোলা ছিল।” ১৯৮৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল সালমানের ছবি ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’। সালমানকে সিনেমার পর্দায় দেখেই ক্লিন বোল্ড সোমি। ঠিক করেন যে করেই হোক বিয়ে করতেই হবে সালমানকে। তখন তার বয়স মাত্র ১৬। বাবা-মা চাননি সম্পূর্ণ অচেনা জায়গায় গিয়ে একা থাকুক সোমি। কিন্তু তিনি ছিলেন নাছোড়বান্দা। ভারতে পাড়ি জমান সোমি, সালমানের সঙ্গে দেখাও হল। হল প্রেমও, বলিব্রেকও মেলে তার। অভিনয় করেন বেশ কিছু ছবিতেও। কিন্তু ১৯৯৭ সালের পর থেকে আর কোনও ছবিতে তাকে দেখা যায়নি।
তিনি আবার দেশে ফিরে যান। সেখানে গিয়েই পড়াশোনা শেষ করেন সোমি। বর্তমানে তিনি সমাজ কর্মী। আর কি দেখা যাবে তাকে বলিউডে? সোমির বক্তব্য, “সিনেমায় ব্রেক পেতে আসিনি তখনও। এখনও নেই। তাই কামব্যাকের কোনও প্রশ্নই নেই।” অন্যদিকে ভাইজান আজও অবিবাহিত। যদিও সোমির পর তার নাম জড়িয়েছে ইন্ডাস্ট্রির অনেক অভিনেত্রীর সঙ্গেই। এদের মধ্যে রয়েছেন সঙ্গীতা বিজলানি, ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন, ক্যাটরিনা কাইফ সহ অনেকেই।