স্টাফ রিপোর্টার, খোয়াই, ১ এপ্রিল।। মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আজ বিকেলে খোয়াই মহকুমার তুলাশিখর ব্লকের আশারামবাড়ির বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন৷ পরিদর্শনকালে মুখ্যসচিবের সাথে ছিলেন জেলাশাসক মিতা মল, অতিরিক্ত পুলিশ সুুপার রাজীব সেনগুপ্ত, মহকুমা শাসক অসিত কুমার দাস, এস ডি পি ও রাজীব সুুত্রধর সহ কৃষি ও কৃষক কল্যাণ কার্যালয়ের জেলা আধিকারিক, ডি ডব্লিউ এস, বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিক, তুলাশিখর ব্লকের বিডিও নবকুমার জমাতিয়া প্রমুখ৷
মুখ্যসচিব সহ প্রশাসনিক প্রতিনিধিদলটি প্রথমে আশারামবাড়ি বাজার পরিদর্শন করেন৷ এরপর আশারামবাড়ির থানাবস্তি এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত থানাবস্তি জনিয়র বেসিক সুকল, কৃষ্ণমা বস্তির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন৷ এরপর আশারামবাড়ি দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের অস্থায়ী শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন৷ এই শিবিরে ১১ পরিবারের ৪৫ জন রয়েছেন৷ পরে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে প্রশাসনিক দলটি কৃষ্ণমা বস্তি জে বি সুকলের অস্থায়ী শিবির পরিদর্শন করেন৷ এই শিবিরে ১৬ পরিবারের ৬৮ জন রয়েছেন৷
প্রতিনিধিদলটি শিবিরে আশ্রিতদের সাথে কথা বলেন ও স্বাস্থ্য সহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ খবর নেন৷ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের সময় মুখ্যসচিব মনোজ কুমার বিভিন্ন দপ্তরের জেলা আধিকারিকদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যে সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিরুপনের কাজ দ্রত সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেন৷ মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার ৭টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঘর মেরামতের জন্য ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে ও ২০টি পরিবারকে ঘর মেরামতির জন্য ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে৷
এই ২টি অস্থায়ী শিবিরে ২৭টি পরিবারের মধ্যে শিশু খাদ্য সহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীও সরবরাহ করা হয়েছে৷ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ১টি চিকিৎসক দল নিযুক্ত করা হয়েছে বলে মহকুমা শাসক অসিত কুমার দাস জানান৷ তাছাড়া পানীয়জল ও স্বাস্থ্য বিধি দপ্তরের পক্ষ থেকে ২টি শিবিরেই ট্যাংকারে করে পানীয়জল সরবরাহ করা হয়েছে৷ এদিকে বিদ্যৎ নিগমের এ জি এম স্বপন দেববর্মা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাতে ঘূর্ণিঝড়ে ৮৭টি বিদ্যৎ খঁটি ও ২টি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং তা দ্রত সারাইয়ের কাজ চলছে৷