বেশকিছু বুথকে অতি স্পর্শকাতর হিসেবেও শনাক্ত করা হয়েছে। এবার বিধানসভাজুড়ে জারি করা হলো ১৪৪ ধারা। বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। আজ রাত থেকে ভোটপর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত নন্দীগ্রামে কোনো ধরনের জমায়েত করা যাবে না। একসঙ্গে পাঁচজনের বেশি থাকা যাবে না। দুটির বেশি মোটরসাইকেল একসঙ্গে বের হলে গ্রেফতার করা হবে। শুধু তাই নয়, নন্দীগ্রামের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য এসপি পদমর্যাদার অফিসার নিয়োগ করেছে কমিশন।
পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে দুই দোর্দণ্ডপ্রতাপ পুলিশ অফিসার প্রবীণ ত্রিপাঠী ও নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে। এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, সবমিলিয়ে মোট ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোট পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন। সেই সঙ্গে থাকবেন রাজ্য পুলিশ কর্মকর্তারাও। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতোমধ্যে অভিযোগ করেছেন, নন্দীগ্রাম এলাকায় বহিরাগতরা ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।
মমতার সেই অভিযোগকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে ঢোকার চারটি প্রধান পথ চণ্ডীপুর, তল্লা, তেখালী ও খেজুরির বটতলায় নাকা চেকিং করছে সিআরপিএফ। সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তবে এসবের মধ্যেও ফাঁকফোকর যে একেবারেই নেই, সেটা বলা যাচ্ছে না। নন্দীগ্রামে প্রবেশের একাধিক ছোট রাস্তা এখনো অরক্ষিত। তালপাটি খালের ওপর প্রায় ৫০টি কালভার্ট আছে, যা দিয়ে এখনো অবাধে নন্দীগ্রামে প্রবেশ করা যাচ্ছে।