লন্ডনের এক বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানীর মতে, সে দেশের জনসংখ্যার ২-৪ শতাংশ মানুষ যৌনতায় আসক্ত। তবে এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। তার মতে, এই স্বভাবটা অনেক মানুষ লুকিয়ে রাখে। কারণ তারা যৌনতা নিয়ে কথা বলতে লজ্জিত বোধ করেন। তাই তাদের মনের ভাব প্রকাশ পায় না। হু-এর এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন মনোবিদদের একটা বড় অংশ। তাদের মতে, এবার তাদের বোধদয় হবে যে যৌনতার বিষয়ে তারা মানসিকভাবে অসুস্থ।
তাদের মধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে। সঠিক সময়ে কাউন্সেলিং শুরু করালে তারা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। কীভাবে বুঝা যাবে যৌন আসক্তিতে ভুগছেন কীনা? উত্তরে ড. বুথ নামে এক মনোবিদ জানিয়েছেন, তাদের জীবনের ‘সেন্ট্রাল ফোকাস’ হচ্ছে সেক্স। তার জেরে অন্যান্য সব কিছুকে অবজ্ঞা করা শুরু করে। যা থেকে পরবর্তীকালে মানসিক হতাশা আসতে পারে। অস্বাভাবিক যৌনতার কারণে অনেক স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে ফাটল তৈরি হয়। তাই তারা এবার বুঝবেন এটা একটা মনোরোগ।