ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার পরে ছোড়া হয়। আরও জানানো হয়, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি ৪২০ কিলোমিটার ও ৪৩৯ কিলোমিটার দূরে গিয়ে সাগরে পড়েছে। তবে, কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। উত্তর কোরিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার পরই দক্ষিণ কোরিয়া ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক ডেকেছে।
সেখানে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সপ্তাহখানেক আগেই উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল। তবে তা ব্যালিস্টিক মিসাইল নয়, ছোট পাল্লার নন-ব্যালিস্টিক মিসাইল। তখন অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। কারণ নন-ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষার ওপর জাতিসংঘের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে নন-ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষার সময়টা ছিল উল্লেখযোগ্য।
তখন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া চলছিল। মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট অ্যান্টনি ব্লিংকেন এবং ডিফেন্স সেক্রেটারি লয়েড অস্টিন সিওলে ছিলেন। ব্লিংকেন বারবার চীনকে অনুরোধ করছিলেন, উত্তর কোরিয়া যাতে পরমাণু অস্ত্র না বানায় তারা যেন সেটা নিশ্চিত করে।