বিজেপি দলের আটজন পঞ্চায়েত সদস্যের মধ্যে ছয়জন পঞ্চায়েত সদস্য পঞ্চায়েতের প্রধান মনি রানী মালাকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব লিখিত জমা দেয়। তবে, ঊনকোটি জেলার ডিস্ট্রিক্ট পঞ্চায়েত অফিসার জেলায় না থাকায় পঞ্চায়েত দপ্তরের সহকারী অধিকর্তা সুদীপ কুমার করের নিকট অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। এব্যাপারে ঊনকোটি জেলার পঞ্চায়েত দপ্তরের সহকারী অধিকর্তা সুদীপ কুমার করকে জিজ্ঞেস করলে উনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন যে, লক্ষীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনি রানি মালাকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলে বিজেপি দলেরই ছয়জন পঞ্চায়েত সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব জমা দেয়। দপ্তর এবিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান সুদীপ বাবু।
প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা বিজেপি দলের পঞ্চায়েত সদস্যরা ক্যামেরার সামনে সরাসরি কিছু না বললেও একুটু বলেন যে, বিজেপি কৈলাসহর মন্ডলের নেতারাই দায়ী এই অনাস্থা প্রস্তাব দেওয়ার জন্য। কারণ পঞ্চায়েতের প্রধানের বিষয়ে এবং পঞ্চায়েতের আরও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বারবার মন্ডলের নেতাদের বলার পরও কোন ধরনের দল কোন উদ্যোগ নেয় নি। এমনকি এব্যাপারে গত আট মাস পূর্বেও আরেকবার পঞ্চায়েতের প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল। সেইসময় মন্ডলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, এই বিষয়ে খুব শীঘ্রই দলীয় ভাবে কার্যকরী ভুমিকা নেওয়া হবে।
কিন্তু আজ অব্দি কোনো ধরনের ভুমিকা না নেওয়ায় মন্ডলের নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষুুব্ধ হয় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তারা। তারা আরও গুরুতর অভিযোগ করেন যে, প্রধানের দুর্নীতির ব্যাপারে মন্ডলের নেতাদেরও ইসারা রয়েছে ।এমনকি মন্ডলের নেতারা প্রধানের মাধ্যমে রেগুলার কমিশন পাচ্ছেন। দলীয় পঞ্চায়েত সদস্যরা পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার দলীয় নেতারা রীতিমতো বিপাকে পড়েছেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে।