অনলাইন ডেস্ক, ২২ মার্চ।। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আনছেন বলে জানিয়েছেন তার একজন সিনিয়র উপদেষ্টা।
ফক্স নিউজের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার মুখপাত্র জ্যাসন মিলার রবিবার বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি গরম একটা ব্যাপার হবে। ’‘দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তিনি অনলাইনে ফিরবেন। ’
ক্ষমতা গ্রহণের পর ট্রাম্প ব্যাপকভাবে টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করতে থাকেন। হোয়াইট হাউজের সংবাদ সম্মেলনের মতো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের বাইরে টুইটার-ফেইসবুক হয়ে ওঠে ট্রাম্পের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ট্রাম্প তার বেপরোয়া ও উসকানিমূলক কথাবার্তা প্রচার করতে থাকেন। টুইটার ট্রাম্পের বিতর্কিত পোস্টের নিচে নিজেদের বক্তব্য জুড়ে দিতে থাকে। ট্রাম্প নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর ফলাফল নিয়ে উল্টোপাল্টা পোস্ট দিতে থাকেন। এ অবস্থায় টুইটার স্থায়ীভাবে ট্রাম্পের বক্তব্যের নিচে নিজেদের বক্তব্য জুড়ে দিতে থাকে।
৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনার পর টুইটার ও ফেইসবুক ট্রাম্পকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ট্রাম্পের টুইটার অ্যাকাউন্ট বাতিল করে দেওয়া হয়।
ক্ষমতা থেকে ২০ জানুয়ারি বিদায় নেওয়ার পর ট্রাম্প ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো ক্লাবে অবস্থান করছেন। অন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতো তিনি নীরব না থেকে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন।
তিনি রক্ষশীলদের সমাবেশে বক্তৃতা করেছেন। রিপাবলিকান পার্টির চরম রক্ষণশীল লোকজনকে রাজনৈতিকভাবে সহযোগিতা করছেন।
সবকিছুই করছেন, কিন্তু ‘প্রিয়’ টুইটার আর ফেইসবুক থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে। মিলার জানিয়েছেন, সাবেক প্রেসিডেন্টের অপেক্ষার অবসান হবে খুব দ্রুত। কয়েক মিলিয়ন ব্যবহারকারী নাকি থাকবে সেখানে।