গত মাসে মিয়ানমারের সামরিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করতে সম্মত হয় ২৭ দেশের এই জোট। এর আওতায় ১১ সামরিক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের ইউরোপের থাকা সম্পত্তি জব্দ ও ভিসা কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। তবে শুরুতেই সেনা বাহিনীর সঙ্গে থাকা বাণিজ্য চুক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে না। তবে সামনে এ ধরনের পদক্ষেপ আসতে পারে। এক কূটনীতিকের বরাত দিয়ে এ খবর জানানো হয়। মিয়ানমারে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ শনিবার দেশটিতে চলমান সহিংসতা রোধে অভ্যুত্থানের নেতাদের অর্থ ও অস্ত্র সংক্রান্ত অনুপ্রবেশ বন্ধের আহ্বান জানান।
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস দেশটিতে চলমান সহিংসতা রোধে ঐকমত্যে পৌঁছতে বিশ্ব নেতাদের একাধিকবার আহ্বান জানিয়েছেন। মিয়ানমার সেনাবাহিনী ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে। তখন দেশটির নির্বাচিত নেতা অং সান সু চি এবং তার দলের একাধিক নেতাকে আটক করে। এরপর থেকে দেশজুড়ে চলছে বিক্ষোভ। ইতিমধ্যে মারা গেছে দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী।