এ ছাড়া অন্যান্য স্থান থেকে হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের (এএপিপি) মনিটরিং গ্রুপ জানায়, সব মিলিয়ে এ দিন কমপক্ষে ৩৮ জন নিহত হয়েছে। চিকিৎসা কর্মীরা হ্লাইংথায়া এলাকায় নিহত বাড়ার আশঙ্কা করছেন। এখনো গুলিবিদ্ধ অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ৩৮ জন বিক্ষোভকারীর বাইরে একজন পুলিশের নিহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে। এর আগে ৩ মার্চ নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় ৩৮ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়।
যার পুনরাবৃত্তি ঘটল রবিবার। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে ১২৬ জন প্রাণ হারালেন। আহত হয়েছেন কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী। মিয়ানমারে ১ ফেব্রুয়ারি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। দেশটির নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ পর্যায়ের রাজনীতিকদের বন্দী করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে একাধিক অভিযোগ। এ দিকে অভ্যুত্থান ও বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও মিয়ানমারের সেনারা তা বরাবরই অগ্রাহ্য করে যাচ্ছে।