বিবিসি জানিয়েছে, ডেনমার্ক এবং নরওয়ে ব্লাড ক্লটের কথা বলে ভ্যাকসিনটির ব্যবহার স্থগিত করার পর থাইল্যান্ড এমন সিদ্ধান্ত নিল। বাংলাদেশও এই টিকা ব্যবহার করছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রায় ৫০ লাখ মানুষ টিকাটি নিয়েছেন। এর মধ্যে ৩০ জনের ব্লাড ক্লটের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে এমন নজির পাওয়া যায়নি। ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি বলছে, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনে ব্লাড ক্লটের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ভ্যাকসিনটি বরং এই সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, তাদের ট্রায়ালে সুরক্ষার বিষয়টি ব্যাপক পরিসরে গবেষণা করা হয়েছে। থাইল্যান্ড সরকার বিবৃতিতে বলেছে, ‘অ্যাস্ট্রাজেনেকা-অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন ভালো হলেও কিছু দেশ কার্যক্রম পিছিয়ে দিয়েছে। আমরাও সেটি করছি।’ থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আবার বলছে, ইউরোপে যে ভ্যাকসিন গেছে তা এখান থেকে ভিন্ন। আর ব্লাড ক্লট এশিয়ানদের মধ্যে সাধারণত দেখা যায় না।