স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৯ মার্চ।। রাজ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী আনতে খরচ অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় পূর্বতন সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকারের কাছে দুটি প্রকল্পের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। কারণ জলপথে সামগ্রী আনা গেলে খরচ কমবে।
সে মোতাবেক জলপথে বাংলাদেশের সাথে ত্রিপুরা সংযোগ এবং সাব্রুমের মধ্যে মৈত্রী সেতুর মাধ্যমে পরিষেবা চাওয়া হয়েছিল। ২০১০ সালে বামফ্রন্ট সরকার বাংলাদেশের সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছিল তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার। এতে বিজেপি সরকারের কোন কৃতিত্ব নেই। এবং ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট বাম সরকারের আমলে প্রকল্প। তা আবার পুনরায় মঙ্গলবার উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলের রাজ্য সম্পাদক গৌতম দাশ কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি বলেন এদিন স্বামী বিবেকানন্দ ময়দানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর যা যা বলেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ৩০ বছরে সরকারের কোন কাজ অনুভব করা যায়নি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। সপ্তম পে কমিশনের নাম করে কিছু অর্থ বরাদ্দ করে জুমলা বাজি করেছে ডবল ইঞ্জিনের সরকার। প্রধানমন্ত্রী পূর্বতন সরকারের আমলে কাটমানি হয়েছে বলছেন। কিন্তু এ ধরনের কোনো সুস্পষ্ট অভিযোগ নেই।
https://www.facebook.com/cpimtripuraofficialpage/videos/3699639170132626/
কিন্তু বর্তমান সরকারের তিন বছরে প্রত্যেক মন্ত্রী বিধায়কদের কাটমানির অভিযোগ রয়েছে। আর এটাকে কি প্রধানমন্ত্রী বিকাশ বলছেন। কিন্তু এটা বিকাশ নয়, এটা বিনাশ। ২০১৮ সালের প্রথম দিন থেকে রাজ্যে লুট শুরু হয়েছে। গণতন্ত্র বলতে কিছু নেই। সমগ্র রাজ্যে চলছে অভাব অনাহার।
অভাবের তাড়নায় সন্তান বিক্রি করে দিচ্ছে, রেশন কার্ড বন্দক দিয়ে দিচ্ছে। আর প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি থেকে মিথ্যা ভাষণ দিচ্ছে। কাছে এসে বলার সাহস নেই। এমনটাই অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীকে তুলোধোনা করলেন শ্রী দাশ