স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, তারকাদের যে আসনগুলো দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের নিরিখে এগিয়ে-পিছিয়ে থাকার অনুপাত প্রায় সমান। ওই ১১টি আসনের মধ্যে ছয়টিতে পিছিয়েছিল তৃণমূল, এগিয়েছিল বাকিগুলোতে। তৃণমূলের একাংশের অভিমত, পিছিয়ে-থাকা আসনে তারকাদের দাঁড় করিয়ে ‘নিরাপদ বাজি’ খেলতে চেয়েছেন মমতা। অর্থাৎ, পিছিয়ে-থাকা আসনগুলোতে তারকারা যদি জিতিয়ে দিতে পারেন, তা হবে শাসক শিবিরের বাড়তি পাওনা।
না জিততে পারলেও আফসোসের কিছু থাকবে না। শুক্রবার ঘোষিত তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় যে টলিউডের তারকাদের একটা অংশ থাকবে, তা প্রত্যাশিতই ছিল। গত কয়েক দিন ধরে দফায় দফায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন তারকারা। শুক্রবারের ঘোষণায় পাওয়া গেল ১১ প্রার্থীর নাম। তারা হলেন রাজ চক্রবর্তী (ব্যারাকপুর), সায়নী ঘোষ (আসানসোল দক্ষিণ), জুন মালিয়া (মেদিনীপুর), সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (বাঁকুড়া), কাঞ্চন মল্লিক (উত্তরপাড়া), মনোজ তিওয়ারি (শিবপুর), বীরবাহা হাঁসদা (ঝাড়গ্রাম), অদিতি মুন্সি (রাজারহাট গোপালপুর), কৌশানী মুখোপাধ্যায় (কৃষ্ণনগর উত্তর), লাভলি মৈত্র (সোনারপুর দক্ষিণ) ও বিদেশ বসু (উলুবেড়িয়া পূর্ব)।
এদের মধ্যে মনোজ প্রাক্তন ক্রিকেটার। তিনি পশ্চিমবঙ্গের অধিনায়কত্বও করেছেন। আর রয়েছেন সাবেক ফুটবলার বিদেশ বসু। যিনি ভারতের হয়ে খেলেছেন। সব মিলিয়ে শুক্রবার মোট ১৫ জন তারকা প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে তৃণমূল। ১১ জন নতুন প্রার্থী ছাড়া রয়েছেন সোহম চক্রবর্তী (চণ্ডীপুর), ইন্দ্রনীল সেন (চন্দননগর), চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী (বারাসত) ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় (চৌরঙ্গি)। কিন্তু রায়দিঘির বিধায়ক দেবশ্রী রায় এবং বসিরহাটের বিধায়ক সাবেক ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসকে টিকিট দেওয়া হয়নি।। টোটো তহবিল সংক্রান্ত মামলায় জড়িয়ে দেবশ্রী আগেই রায়দিঘি কেন্দ্র ছাড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। তবে তাকে যে অন্য কোনো কেন্দ্র না দিয়ে পুরোপুরি বাদ দেওয়া হবে, তা বোঝা যায়নি।