সাক্ষাতের পর এক বিবৃতি দেয় আল-সিস্তানির অফিস। সেখানে বলা হয়, ইরাকের খ্রিষ্টানদের রক্ষায় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা রয়েছে এবং শিয়া নেতা নিশ্চিত করেছেন, সব ইরাকিদের মতো শান্তি ও নিরাপত্তা পাওয়া এবং পূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার তাদের রয়েছে। এ সময় ইরাকের ইতিহাসের সবচেয়ে সহিংস সময়ে দুর্বল ও সবচেয়ে নিপীড়িতদের রক্ষায় আওয়াজ তোলায় আল-সিস্তানি ও শিয়া জনগণকে ধন্যবাদ জানায় ভ্যাটিকান। পোপের মতে, আল-সিস্তানির শান্তির বার্তা মানব জীবনের পবিত্রতা ও ইরাকি জনগণের ঐক্যের গুরুত্বকে নিশ্চিত করেছে। একটি বুলেট-প্রুফ বহর নিয়ে নাজাফে যান পোপ।
এখানে কয়েক দশক ধরে ভাড়া বাড়িতে আছেন আল-সিস্তানি। এখানেই আছে ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.)-্এর মাজার। আল-সিস্তানির বাড়ির বাইরে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে পোপের অপেক্ষায় ছিলেন অর্ভ্যথনাকারী। ফ্রান্সিস দরজা দিয়ে প্রবেশ করতেই শান্তির প্রতীক কবুতর উড়ানো হয়। এরপর আল-সিস্তানি ও পোপ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। এ সময় ফ্রান্সিস ইরাকের সংখ্যালঘু খ্রিষ্টানদের বিষয়টি তুলে ধরেন। অন্যদিকে শিয়া নেতা সারাবিশ্বের শিয়া মুসলমানদের অবস্থা আলোচনায় আনেন। নাজাফে পোপের এ সফর ইরাকি টেলিভিশনে সরাসরি প্রচার হয়েছে। ৫০ মিনিটের এ বৈঠক শেষে প্রাচীন উর শহরের দিকে রওয়ানা হন পোপ। যেখানে রয়েছে হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর জন্মস্থান।
যিনি ইহুদি, খ্রিষ্টান ও ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের আদিপিতা। এ ছাড়া আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ও গণপ্রার্থনায় অংশ নেবেন পোপ। বিশেষ বিমানে শুক্রবার ইরাকে পৌঁছান পোপ ফ্রান্সিস। করোনা পরিস্থিতিতে এটি তার প্রথম আন্তর্জাতিক সফর। কভিড ও নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকলেও এ সফরকে ‘কর্তব্য’ হিসেবে নিয়েছেন পোপ। তিনি ইরাকের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।সাক্ষাৎ’