কর্মশালার উদ্বোধন করে উপমুখ্যন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মা বলেন, বাঁশ হলো সবুজ সোনা৷ রাজ্যে কিছুকাল পূর্বেও বাঁশের প্রচুর ব্যবহার ছিলো৷ কিন্তু বর্তমানে বাঁশের দাম অনেক বেড়ে গেছে৷ তাই গৃহ নির্মাণ সহ অন্যান্য কাজে মানুষ বাঁশের বিকল্প হিসেবে অন্য জিনিসের প্রতি ঝঁকে পড়ছেন৷ উপমুখ্যমন্ত্রী শিল্প ও গৃহ নির্মাণে বাঁশের ব্যবহারের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন৷ তিনি বলেন, গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে বাঁশের ব্যবহার জনপ্রিয় করে তুলতে হবে৷ উপমুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বাঁশভিত্তিক শিল্প সামগ্রীর উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে রোজগারের সুুযোগ সৃষ্টি হবে৷ আত্মনির্ভর ভারত-আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়ে উঠবে৷ প্রধানমন্ত্রীর ভোকাল ফর লোকাল আহ্বান সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে৷ উপমুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের বায়োভিলেজগুলিতে বাঁশজাত নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে ছোট ছোট কমিউনিটি হল নির্মাণ করার উপরও সরকার অগ্রাধিকার দেবে৷
কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং পরিবেশ দপ্তরের সচিব তনুশ্রী দেববর্মা, সি এম আই আর – এ এম পি আর আই-এর মুখ্য বিজ্ঞানী ড. এস এ আর হাসমি প্রমুখ৷ কর্মশালায় দ্বিতীয় পর্যায়ে বাঁশের প্রকারভেদ ও এর ব্যবহার সহ ভবিষ্যতে পরিবেশ বান্ধব ঘর বানানোর ক্ষেত্রে স্থানীয় বাঁশের ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ের উপর টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়৷