স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১ মার্চ।। সারা দেশের সঙ্গে আজ রাজ্যেও ত’তীয় পর্যায়ে কোভিড -১৯ টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে৷ এই পর্যায়ে প্রথমে ৬০ বছর বা ৬০ বছর বয়সের উপর ব্যক্তি, ৪৫ বছর বয়স থেকে ৫৯ বছর বয়সের নাগরিক যারা নির্দিষ্ট রোগে (কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক চিহ্ণিত রোগ সমূহ)আক্রান্ত তাদের কোভিড-১৯ টিকাকরণের আওতায় আনা হচ্ছে৷
একই সঙ্গে কোউইন পোর্টালে নিবন্ধীক’ত সেইসব স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানকারী কর্মী এবং প্রথমসারির কর্মী যারা করোনার প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদেরও এই পর্যায়ে টিকা দেওয়া হবে৷ত’তীয় দফায় টিকাকরণের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ কো-উইন ২.০ পোর্টালে অন লাইনে নাম রেজিস্টার করতে পারবেন৷ এছাড়াও কোন কোন ক্ষেত্রে তারা টিকাকরণ স্থানেও নাম রেজিস্টার করতে পারবেন৷
বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং বেসরকারি হাসপাতালে টিকা দেওয়া হবে৷ এক্ষেত্রে সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সম্পর্ণ বিনামূল্যে এবং বেসরকারি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় সরকারের ধার্যকরা মূল্যে কোভিড টিকা দেওয়া হবে৷ বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকার মূল্য ধার্য হয়েছে ২৫০ টাকা৷ কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা অনুসারে ২০ টি নির্দিষ্ট রোগে (কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক চিহ্ণিত রোগ সমূহ) আক্রান্ত ব্যক্তিকে টিকাদানের এই পর্যায়ে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে৷
কো-উইন ২.০ পোর্টাল অথবা আরোগ্য সেতুতে নাম রেজিস্টার করার সময় সাধারণ মানুষকে পরিচয় পত্র, জন্মের তারিখ, আধার কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্যানকার্ড, মার্ট কার্ড, ভোটার আই ডি, কোমর্বিডিটির সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে৷ টিকাকরণস্থানেও তাদের পরিচয়পত্র দেখাতে হবে৷ টিকার প্রথম ডোজ নেওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে৷ আজ তৃতীয় পর্যায়ের প্রথম দিনে রাজ্যে ৬২ টি টিকাকরণকেন্দ্রে টিকা দেওয়া হয়েছে৷ রাজ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সমিতির সদস্য সচিব এক প্রেস রিলিজে এই সংবাদ জানিয়েছেন৷