অনলাইন ডেস্ক, ২৬ ফেব্রুয়ারী।। সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার বিস্তারিত গোয়েন্দা প্রতিবেদন পড়ার পর সৌদি বাদশাহকে ফোন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মানবাধিকার এবং আইনের শাসন নিশ্চিতের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র কতটা গুরুত্ব দেয় আলাপকালে তিনি সেটাই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।
বিবিসি জানিয়েছে, প্রতিবেদনটি দ্রুত প্রকাশিত হবে। এতে বাদশাহর ছেলে মোহাম্মদ বিন সালমান ফেঁসে যেতে পারেন। সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে ‘ভালো’। সেটি ট্রাম্পের আমলে নতুন মাত্রা পায়।
ট্রাম্প প্রশাসন গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু বাইডেন সেই পথে হাঁটবেন না বলে মনে হচ্ছে।
২০১৮ সালে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে যখন হত্যা করা হয়, তখন ক্রাউন প্রিন্স সালমান নিজের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন।
গত বুধবার জো বাইডেন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তিনি ওই রিপোর্ট দেখেছেন। শিগগিরই এ বিষয় নিয়ে যুবরাজ সালমানের বাবা সৌদি বাদশাহ সালমানের সঙ্গে কথা বলবেন।
শুক্রবার বাইডেন-সালমান ফোনালাপ নিয়ে হোয়াইট হাউস থেকে পাঠানো বিবৃতিতে খাশোগির নাম উল্লেখ না করে বলা হয়েছে ‘সৌদি নারী অধিকার কর্মী লুজাইন আল-হাথলউলসহ বেশ কয়েকজন সৌদি-আমেরিকান মানবাধিকার কর্মীকে কারাগার থেকে সম্প্রতি মুক্তি দেওয়ায় তাদের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ইতিবাচক আলোচনা করেছেন এবং সর্বজনীন মানবাধিকার ও আইনের শাসন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানের বিষয়টিও তাকে নিশ্চিত করেছেন। ’
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এই দুই নেতা ‘যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের মধ্যকার দীর্ঘকালীন অংশীদারত্ব’ ও ইরানপন্থী গ্রুপগুলোর দ্বারা সৌদি আরব যে হুমকির শিকার সেই বিষয়েও আলোচনা করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বাদশাহ সালমানকে প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন (দুই দেশের) দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যথাসম্ভব দৃঢ় ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে তিনি কাজ করবেন। দুই নেতা সম্পর্কের ঐতিহাসিক ভিত্তি নিশ্চিত করেছেন এবং দুই পক্ষের জন্যই উদ্বেগজনক ও আগ্রহের ইস্যুগুলোতে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন। ’