উভয়ের মধ্যে রাজ্যের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলােচনা হয়। আলােচনাকালে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ হাব গড়ে তােলার উপর গুরুত্বারােপ করেন। এজন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানাের বিষয়ে নর্থ ইস্ট সেন্টার ফর টেকনােলজি অ্যাপ্লিকেশন এন্ড রিচ-কে প্রয়ােজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে শিল্পের বিকাশে সাব্রুমকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন হিসেবে গড়ে তােলার জন্য প্রয়ােজনীয় পরিকাঠামােগত উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছে সরকার।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, সুসংহত স্থল বন্দর, লজিস্টিক হাব, রেলওয়ে ইয়ার্ড সহ অন্যান্য পরিকাঠামাে গড়ে উঠছে সাব্লমে। ফেনী নদীর উপর নির্মিত মৈত্রী সেতু চালু হলে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে বলেও মুখ্যমন্ত্রী অভিমত ব্যাক্ত করেন। আলােচনাকালে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য খেজুর গুড় উৎপাদন বাড়াতে খেজুর রস আহরণকারীদের প্রয়ােজনীয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা নেক্টারকে উদ্যোগ নিতে বলেন। পাশাপাশি তিনি উৎপাদিত দ্রব্যের আকর্ষণীয় ব্র্যান্ডিং ও প্যাকেটিং-এর উপরও গুরুত্ব দিয়েছেন।
সাক্ষাৎকালে নর্থ ইস্ট সেন্টার ফর টেকনােলজি অ্যাপ্লিকেশন এন্ড রিচ-এর ডিরেক্টর জেনারেল জানান, কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের একটি স্বশাসিত সংস্থা হচ্ছে নেক্টার। নেক্টার বিশেষ করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, উদ্যান, দক্ষতা উন্নয়ন সহ বাঁশজাত শিল্পের উন্নয়নে কাজ করে। রাজ্যে বাঁশের তৈরি খেলনা, মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়। নেক্টারের ডিরেক্টর জেনারেল আরও জানান, ত্রিপুরায় প্রাথমিক পর্যায়ে বাঁশের তৈরি ঘড়ি এবং বাঁশের বােতল তৈরি করা হচ্ছে। সাক্ষাৎকারের সময় রাজস্ব দপ্তরের সচিব তনুশ্রী দেববর্মা সহ নেক্টারের ব্যাম্বু এন্ড কেইন ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট আগরতলার ডা. অভিনব কান্ত উপস্থিত ছিলেন।