আর সেখানে আসার পর থেকেই বিমল দাস এর স্ত্রী অর্থাৎ তার পুত্রবধু শিখা দাস অনবৱত তার শ্বাশুড়ীকে মারধোর করে যাচ্ছে। কেন সে বাড়িতে চলে এসেছে। তা নিয়ে দফায় দফায় সালিশি সভায় এলাকার মধ্যে তাতেও ক্ষান্ত থাকেনি পুত্রবধূ শিখা দাস। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে কণা দাস চলে যায় তার মেয়ের বাড়িতে ।অবশেষে রবিবার বিকেল বেলা পূর্ণ গ্রাম এলাকায় পুনরায় আসতেই তার ছেলের বাড়িতে বেধড়ক মারধর করে পুত্রবধূ শিখা দাস। তার একটি হাত পুরোপুরি ভেঙ্গে দেয়।শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে গলায় আঘাত করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
পরবর্তী সময়ে কনা দাস বাধ্য হয়ে আমতলী থানা মামলা দায়ের করে পুত্রবধূর শিখা দাসেৱ বিরুদ্ধে। শাশুড়ি কনা দাসের আরও অভিযোগ তার নাতি বিশ্বজিৎ দাসও তার ওপর আক্রমণ চালায় ।এখন প্রশ্ন হল 95 বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মহিলাকে কিভাবে তার ছেলের সামনে তার স্ত্রী এবং পুত্র মারধোর করে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও গোটা এলাকায় সে পরিবারের প্রতি ক্ষুব্ধ জনগণ সকলেই বিমল দাস এবং তার স্ত্রী এবং পুত্রে বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছে।