স্টাফ রিপোর্টার, কল্যাণপুর, ২১ ফেব্রুয়ারি।। লাগামহীন আত্মহত্যার হিড়িক চলছে কল্যাণপুর জুড়ে৷ কিছুদিন বন্ধ থাকার পর৷ রবিবার কল্যানপুর থানা এলাকায় আবার বৃদ্ধ ও যুবক দুজনের আত্মহত্যার ঘটনা৷ সংবাদে প্রকাশ শনিবার শেষ রাতের কোন এক সময় কল্যানপুর থানাধীন দক্ষিন ঘিলাতলী গ্রাম পঞ্চায়েতের ছনখলা গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কৃষক রসিক সরকার নামে ষাটোর্ধ এক ব্যক্তি ফাসিতে আত্মহত্যা করে নিজ বাড়ির পাশে পেয়ারা গাছে৷
এলাকা সূত্রে জানা গেছে মৃত ব্যক্তির একমাত্র ছেলে চাকরী সূত্রে বাড়ির বাইরে অন্যত্র থাকেন৷ বাড়িতে রসিক সরকার ও তার স্ত্রী থাকতেন৷ সকালে কল্যাণপুর থানার পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ কল্যাণপুর হাসপাতালে নিয়ে আসে৷ করে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয় মৃতদেহ৷ তদন্ত করছে কল্যানপুর থানার পুলিশ৷ এলাকাসূত্রে খবর সম্ভবত পারিবারিক অশান্তির জেরেই এই আত্মহত্যার ঘটনা৷ অন্যদিকে থানাধীন দাছুড়া এলাকায় প্রমোদনগর শিবিরে নিজের ঘরেই ফাসি দিয়ে আত্মহত্যা করল রবিবার দিনের পুরনো বেলায়৷
বর্তমানে মৃতদেহ কল্যাণপুর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে খবর৷ সোমবার ময়নাতদন্তের পর দেওয়া হবে পরিবারের হাতে৷ নীরেশ বর্মা নামে ৩০ বছরের এক সদ্য বিবাহিত যুবক৷ একই দিনে দু দুটি আত্মহত্যার ঘটনা সংস্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক শোকের আবহ তৈরি করেছে৷ দুটি আত্মহত্যার ঘটনারই তদন্ত করছে কল্যানপুর থানার পুলিশ৷ বেশ কিছুদিন ধরে কল্যাণপুর থানা এলাকায় আত্মহত্যার হিড়িক চলছে৷ যুবক থেকে বৃদ্ধ যুবতী বৃদ্ধারা আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে কেন জনমনে প্রশ্ণ রয়ে গেল৷ তবে কল্যাণপুর থানার পুলিশ নামেই তদন্ত৷ তদন্তে কিছুই বেরিয়ে আসছে না বলে এলাকাবাসীর দাবি৷
কল্যাণপুরের স্থানীয় সাংবাদিকরা পুলিশ বাবু দের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ জানতে চাইলে পুলিশ মুখ খুলতে নারাজ৷ তবে কি এর মধ্যে কোন রহস্য নেই তো৷ পুলিশ ঘটনা না জানালে জনসমক্ষে কিভাবে সংবাদ প্রচার করা যেতে পারে পাঠকদের মধ্যে প্রশ্ণ থেকেই থাকে৷ এই ধরনের ঘটনায় কল্যাণপুর থানার পুলিশ বাবুরা অস্বাভাবিক মামলা নিয়ে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে দায়িত্ব থেকে সরে বসেন এলাকাবাসীর অভিযোগ নইলে সত্যতা কেন বেরিয়ে আসছে না বলে দাবি জানান৷