প্রতিটি মেলার সম্মুখে নাগরদোলা সহ কচিকাচাদের আনন্দ প্রদানে বিভিন্ন প্রকারের রকমারি সামগ্রী থাকে । পাশাপাশি মেলায় বসে বিভিন্ন পশরার দোকানপাট।।আর এই মেলাগুলোতে বিভিন্ন পশরার সাথে সাথে চিত্রহার এর নাম করে চলে অশ্লীল নৃত্য। কিন্তু এর চাইতেও রমরমা চলে জুয়ার ব্যবসা।দীর্ঘদিন থেকেই এভাবে আন্দনমেলাকে কেন্দ্র করেই মেলার মালিকের তত্ত্বাবধানেই মেলার ধারেই কোন এক গোপন স্থানে বসতো জোয়ার কারবার। কিন্তু বিগত কিছু দিন যাবত উত্তর জেলার বিভিন্ন প্রান্তে হওয়া আনন্দমেলা এগুলোর মধ্যে প্রকাশ্যেই শুরু হয়েছে জোয়ার ব্যবসা।
তারই প্রমাণ মিলল শনিবার। যেমন ধর্মনগর কদমতলা থানাধীন বজেন্দ্র নগর এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ চলছিল আনন্দমেলা। সেখানেও একই কায়দায় প্রকাশ্যেই চলছিল জুয়ার ব্যবসা। পাশাপাশি আশেপাশে আরও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল ঝান্ডি মুন্দা সহ বিভিন্ন রকমের জুয়ার ব্যবসা। যা সরাসরি ধরা পড়ল আমাদের ক্যামেরায়। ধরা পড়তেই শনিবার সন্ধ্যায় বজেন্দ্রনগরের আনন্দমেলা প্রাঙ্গণে জুয়ায় অংশগ্রহণকারী যুবক থেকে শুরু করে গ্রামের খেটে খাওয়া শ্রমিকদের মধ্যে শুরু হয় ছোটাছুটি। আশ্চর্যজনক বিষয় মেলায় চলছে জুয়ার আসর আর সেই জুয়ার আসর বসা ঘরের প্রায় সামনে দাঁড়িয়ে পাহারায় ব্যস্ত কর্তব্যরত পুলিশ।
শোনা যাচ্ছে এই মেলার কর্ণধার দেবু দেব এভাবে করেই দিনের পর দিন আনন্দ মেলার নাম করে মেলার নেপথ্যে জুয়ার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে । যার ফলে জুয়ায় অধিক মুনাফা লাভের আকাঙ্ক্ষায় টাকা খোয়াচ্ছে যুব সম্প্রদায় থেকে শুরু করে গ্রামের দিনানাদিন খাওয়া শ্রমিকরা। পাশাপাশি বর্তমানে করোনাকালীন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে কিভাবে দেবু মালাকার এভাবে গ্রামের পর গ্রামে আনন্দমেলার আসর বসাচ্ছে তা নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।