বিজেপিতে যশের যোগদানের সময়ও দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ভর্ৎসনা করে টুইট করেছিলেন নুসরাত। অবশ্য বিরোধী শিবিরে বন্ধুর নাম লেখানো নিয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি নুসরাতের তরফ থেকে। তবে যশকে প্রশ্ন করা হলে বললেন, “একই পরিবারের সদস্যরা কি রাজনীতি বা অন্য কোনো বিষয়ে ভিন্ন মত পোষণ করতে পারেন না?” অর্থাৎ, রাজনীতি ও হৃদয় সব সময় একই সরলরেখা ধরে হাঁটে না।গত বুধবার ভারতীয় জনতা পার্টির পতাকা হাতে তুলে নেওয়ার পর এ কথা পরিষ্কার করে দেন যশ।
বলেছিলেন নুসরাতের সঙ্গে তার ‘বন্ধুত্ব’ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সূত্রে। দুজনের ভিন্ন দুই দলে থাকাটা তাতে কোনো রকম প্রভাব ফেলবে না। তারা একসঙ্গে ছবিও করবেন। একই প্রসঙ্গে যশ টেনে এনেছিলেন আরও এক বন্ধু-নায়িকা এবং তৃণমূল সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তীর কথাও। তা হলে কি অক্ষয়-টুইঙ্কেলের মতো ভিন্ন মতাদর্শ নিয়েই শান্তিপূর্ণ থাকবেন যশ-নুসরাত? যশের স্পষ্ট উত্তর, “এ ক্ষেত্রে সে কথা বলা ঠিক হবে না। অক্ষয় কুমার ও টুইঙ্কেল খান্না বিবাহিত। আমি ও নুসরাত তা নই।”শোনা যায়, নুসরাতের সঙ্গে একই দলে থাকতে ইচ্ছুক ছিলেন যশ।
সেই আশা নিয়ে বান্ধবীকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখাও করেন। কিন্তু নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় অভিনেতাকে। তবে ‘দিদি’-র আশীর্বাদ নিয়েই রাজনীতির ময়দানে নামেন যশ। কিন্তু প্রথম দিনে মমতার বিরোধিতা করতে তিনি পিছপা হননি। অভিনেতার দাবি, পশ্চিমবঙ্গে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় রাজ্যের ছেলেমেয়েরা রোজগারের তাগিদে অন্য রাজ্যে চলে যাওয়ার কথা ভাবছে।