অঞ্চলটিতে এখন পর্যন্ত ৯ লাখ মানুষ মারা গেছে। মূলত আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে তীব্রভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে, বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকায়। সংক্রমণের প্রায় অর্ধেকই আফ্রিকার অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে পরিচিত দেশটিতে। নতুন স্ট্রেইন বা ধরনের কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে সেখানে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আফ্রিকা কার্যালয়ের একজন সমন্বয়ক রিচার্ড মিহিগো বলেন, ‘সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অনেক গুরুতর ঘটনা ঘটছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করা কিছু দেশের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি, কিছু দেশে অক্সিজেন সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়েছে, গুরুতর ঘটনাগুলোর জন্য বিষয়টি সত্যি নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
’ দক্ষিণ আফ্রিকার মতো জিম্বাবুয়ে, মোজাম্বিক এবং মালাবিতে মৃত্যু বেড়েছে। ডব্লিউএইচও’র এ কর্মকর্তা জানান, গত বছরের শেষের দিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার ৫০১ওয়াই.ভি২ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার পর আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে সেটি ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে আন্তর্জাতিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ) নতুন ভ্যারিয়েন্ট রুখতে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে জরুরি টিকা সরবরাহের আহ্বান জানিয়েছে। পশ্চিমা ধনী দেশগুলোর তুলনায় আফ্রিকার অধিকাংশ দেশ টিকাদান কর্মসূচিতে পিছিয়ে রয়েছে বলে সংস্থাটি জানায়।