ক্ষমতায় আসা নতুন নেতাদের সৌজন্যতার রীতিতে এই ধরনের ফোনকলকে এভাবে বিশ্লেষণ করে থাকেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা। ইসরায়েলে ২৩ মার্চ নির্বাচন হওয়ার কথা। বাইডেন সেই নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহুকে ফোন করেন কি না, সেটি মূলত আলোচনার বিষয় ছিল। ফোনালাপের পর বাইডেন ওভাল অফিসে দাঁড়িয়ে সাংবাদিকদের যা বলেছেন, তাতে তিক্ত সম্পর্কের কোনো আভাসই পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘দারুণ আলাপ হয়েছে।
’অন্যদিকে নেতানিয়াহুর অফিস থেকে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুজনে প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলেছেন। দেশটির দাবি, ‘এ সময় ইরানি হুমকি মোকাবিলা এবং ইসরায়েলের সঙ্গে আরব ও মুসলিম দেশের উদীয়মান সম্পর্কের বিষয়ে কথা হয়েছে।’‘দুই নেতা তাদের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন আলোচনায়,’ বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।
হোয়াইট হাউজ থেকে বলা হয়েছে, ‘ইরানের বিষয়ে অবিরত পরামর্শের প্রয়োজনের বিষয়ে দুই নেতার আলাপ হয়েছে।’ইরান এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাইডেনের সঙ্গে নেতানিয়াহুর মতবিরোধ আছে বলে বিভিন্ন সময়ে খবর পাওয়া গেছে। নেতানিয়াহু নিজেও সেটি বলেছেন। তবে এ যাত্রায় ‘শক্তিশালী কাজের সম্পর্কের’ আশা করছেন তিনি।