এদিন ভার্চুয়ালি আদালতে যুক্ত হন সু চি। এর আগে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে কবে নাগাদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে কোনো দিন-তারিখ জানায়নি। সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে দেশটিতে গণবিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রবিবার রাতে প্রধান শহরগুলোতে সাঁজোয়া যান ও সেনা মোতায়েন করা হয়। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতার দখল নেয় দেশটির সেনাবাহিনী।
যদিও দাবির সপক্ষে তারা তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেনি। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি-এনএলডি নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ নেতাদের। বাদ যাননি প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টও। এরপর এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রতিরক্ষা বিভাগের কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর ন্যস্ত করা হয়। সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে বেসামরিক কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং অং সান সুচির মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। কিছু জায়গায় বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীকে শক্তিপ্রয়োগ করতে দেখা গেছে।