স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ১৬ ফেব্রুয়ারী।। কোন কাজ করার ক্ষেত্রে একজন অপরজনের উপর দোষ চাপানো খুবই সহজ। কিন্তু একটা প্রতিষ্ঠানকে দাড়া করানো সহজ নয়। ত্রিপুরা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় বিশ্ব বিদ্যালয় হতে অনেক ধাপ এগিয়ে যেতে হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব একথা জানান।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ লাগু করেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৩৪ বছর পর জাতীয় শিক্ষানীতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। কোন ছেলে বা মেয়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি রোজগারের স্বপ্ন দেখে। তাই মেইন কোর্সের সাথে ভোকেশনাল কোর্সকে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
এতে করে যে কোন ছেলে বা মেয়ে পরনির্ভরশীল হওয়ার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে স্বনির্ভর হওয়ার মানসিকতা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। যে কোন ছেলে বা মেয়ে ভোকেশনাল কোর্স করে নিলে কলেজ শেষে সে রোজগার করতে পারবে। না হয় কলেজ থেকে বেরিয়ে রোজগারের জন্য এদিক ওদিক ছুটতে ছুটতে নিরাশ হয়ে পরবে।
বর্তমানে রাজ্যে বহু উচ্চ শিক্ষিত ছেলে ভোকেশনাল কোর্স করে রোজগারে করছে। মঙ্গলবার ত্রিপুরা বিশ্ব বিদ্যালয়ে ১৫০ শয্যা বিশিষ্ট ছাত্র আবাসের শিলান্যাস করে এই কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।
ডোনার মন্ত্রক থেকে এই ছাত্র আবাস নির্মাণের জন্য অর্থ মঞ্জুর করা হয়েছে। এইদিন আনুষ্ঠানিক ভাবে ছাত্রাবাস নির্মাণের জন্য শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।
এইদিনের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্জ প্রফেসর গঙ্গা প্রসাদ প্রসিন সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে বিশ্ব বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের উপস্থিতিও ছিল লক্ষ্যনিয়।