এদিন সেনা অভ্যুত্থান বিরোধী বিক্ষোভের প্রাণকেন্দ্র দেশটির বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনে সাঁজোয়া যানের সামনে দাঁড়িয়ে নাগরিক অসহযোগ আন্দোলন (সিডিএম) এর প্লাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।
আলজাজিরা জানায়, মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত সরাসরি সম্প্রচারে ইয়াঙ্গুনের বিভিন্ন অংশে বিক্ষোভকারীদের জড়ো হতে দেখা যায়।
প্রায় ৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ইন্টারনেট সচল হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে নেটব্লকস। তবে এখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ রয়েছে।
দুই সপ্তাহ আগে মিয়ানমারে ক্ষমতা গ্রহণ করে সামরিক বাহিনী। এরপর থেকে দেশটিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বিক্ষোভ দমাতে বড় বড় শহরের রাস্তায় নামানো হয়েছে ট্যাংক ও সাঁজোয়া যান।
নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে গত ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতার দখল নেয় দেশটির সেনাবাহিনী। যদিও দাবির সপক্ষে তারা তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেনি।
গ্রেপ্তার করা হয়েছে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি-এনএলডি নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ নেতাদের। বাদ যাননি প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টও।
এরপর এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রতিরক্ষা বিভাগের কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর ন্যস্ত করা হয়।