তার জন্য এইদিন ত্রিপুরা জার্নালিস্ট ইউনিয়ন, ত্রিপুরা ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি, এফ.ডি.পি.এম.সি-র নেতৃত্ব ও জনজাতি অংশের সাংবাদিকরা সরকারী বাসভবনে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানায়। মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ফুলের বকি তুলে দিয়ে ও উত্তরীয় পরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এইদিন অভিনন্দন জানানো হয়। এইদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন এ.ডি.সি-র রাজধানী খুমুলুঙে প্রেসক্লাব থাকবে না তা হতে পারে না। খুমুলুঙে প্রেসক্লাবের মধ্যদিয়ে আগামিদিনে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ শক্তিশালী হবে বলে আসা ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। দীর্ঘ দিন ধরে যে ভাবে এ.ডি.সি-র উন্নয়ন হওয়ার কথা সেই ভাবে হয়নি।
তাই আগামিদিনে এ.ডি.সি-র উন্নয়নে খুমুলুঙ প্রেসক্লাবের সদস্যরা ভুমিকা নেবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন এ.ডি.সি এলাকার উন্নয়ন মূলক কাজ গুলিকে মানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে। সময়ের কাজ যেন সময়ে শেষ হয় সেইদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।এইদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে আগরতলা প্রেসক্লাবে ত্রিপুরা জার্নালিস্ট ইউনিয়ন, ত্রিপুরা ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি ও এফ.ডি.পি.এম.সি-র পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে ত্রিপুরা জার্নালিস্ট ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক তথা আগরতলা প্রেসক্লাবের সম্পাদক প্রনব সরকার জানান ত্রিপুরা জার্নালিস্ট ইউনিয়ন, ত্রিপুরা ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি ও এফ.ডি.পি.এম.সি-র দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার শুক্রবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে খুমুলুঙে প্রেসক্লাব করার বিষয়ে।
শনিবার এই বিষয়ে অর্ডার জারি করা হয়েছে। রাজ্যের জনজাতি অংশের যারা সংবাদ জগতে কাজ করতে এসেছে তাদের সুবিধা হবে রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে ও কর্মশালা করার জন্য বর্তমানে একটা স্থায়ী জায়গা হয়েছে। ৬০ জনের অধিক জনজাতি সাংবাদিক রাজ্যে রয়েছে। তাদের স্থায়ী ঠিকানা করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। তার জন্য তিনটি সংগঠনের পাশাপাশি আগরতলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যসরকারকে অভিনন্দন জানান।এইদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে প্রনব সরকার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটির সম্পাদক সৌরজিৎ পাল, এফ.ডি.পি.এম.সি-র সম্পাদক সেবক ভট্টাচার্য, সভাপতি জয়ন্ত ভট্টাচার্য, দৈনিক সংবাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সঞ্জয় পাল, ত্রিপুরা জার্নালিস্ট ইউনিয়নের সভাপতি সাজ্জাদ আলি, সাংবাদিক রণজিৎ দেববর্মা সহ অন্যান্যরা।