কিন্তু মন্দিরের অস্থায়ী প্রশাসনিক কমিটি সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে, কোভিড সংক্রমণের কারণে এবছ দীর্ঘদিন মন্দিরে সাধারণের প্রবেশ ছিল নিষিদ্ধ। তাই অনুদান কম এসেছে। সেকারণেই এবার আর সরকারকে টাকা দেওয়া যাবে না। কোভিডের জন্য, গত বছর মার্চ মাসে এই মন্দির বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ২৬ অগাস্ট ফের মন্দির খোলে। কিন্তু মন্দিরের ১০ জন পুরহিতের সংক্রমণ ধরা পড়ায়, তা ফের বন্ধ করে দেওয়া হয় ১০ অক্টোবর।
কিন্তু এই আবেদনের প্রেক্ষিতে কোনও রায় দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। বলেছে, কেরল সরকার বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিক। বর্তমানে শীর্ষ আদালতের নির্দেশে এই মন্দিরের দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছে একটি অস্থায়ী কমিটি। যতদিন না ত্রিবাঙ্কুর রাজ পরিবারের সদস্যরা নিজেরা মন্দির দেখাশোনার জন্য কমিটি গড়ছে, ততদিন কাজ চালাবে এই কমিটি।