তখন এটাই করোনার প্রধান ভাইরাস হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে গণ্য হবে। সিডিসি-র রিপোর্ট বেশ কিছু গবেষক ও বিশেষজ্ঞ মিলে তৈরি করেছেন।যুক্তরাষ্ট্রে নতুন স্ট্রেইনে আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে খুব বেশি নয়। ফ্লোরিডায় ১৮৭, ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৪৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, অবিলম্বে এই নতুন স্ট্রেইন থামাতে ব্যবস্থা নিতে হবে।
না হলে, পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। কারণ এই স্ট্রেইন ৩৫ থেকে ৪৫ শতাংশ বেশি ছোঁয়াচে।জানুয়ারির প্রথম থেকে দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। কিন্তু মৃত্যুর হার এখনো যথেষ্ট বেশি। গড়ে এখনো প্রতিদিন তিন হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন। হাসপাতালের উপরেও চাপ প্রচণ্ড রয়েছে। এই অবস্থায় সমীক্ষার রিপোর্ট স্বাস্থ্য অধিকর্তাদের চিন্তা বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন করোনার টিকা দেয়া হচ্ছে। কিন্তু সবগুলো টিকাই আগের ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার কথা ভেবে তৈরি হয়েছে।