এবার নতুন গল্পে হাত দিয়েছেন। লেখার সময়ে মূল চরিত্র নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে বার বার ঋতুপর্ণার চেহারাই ভেসে উঠেছে চোখে। স্পষ্টবাদী শ্রীলেখা বললেন, ‘‘লিখতে গিয়ে একেকটা চরিত্র চোখের সময়ে ভাসে না? সেভাবেই নারী চরিত্রটির জন্য ঋতুর কথা মনে হচ্ছে। কিন্তু এই মুহূর্তের পরিস্থিতি বিচার করলে, আমাদের সম্পর্ক খুব একটা ভালো জায়গায় নেই।
দেখা যাক কী হয় না হয়।” অভিনয়ের দিক দিয়ে নাকি চেহারার জন্য, কীভাবে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর কথা মনে হচ্ছে? উত্তরে বলেন, ‘‘বয়স ও চেহারার জন্য বিশেয করে। ঠিক যে অভিনয়টার প্রয়োজন রয়েছে, সেটা আমি করিয়ে নেব। তবে ওই চরিত্রটা ওরই মতো। তাই অভিনয়ের খুব একটা প্রয়োজনই পড়বে না।” নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা প্রসঙ্গে শ্রীলেখা বলেছিলেন, ‘‘প্রসেনজিতের সঙ্গে ‘অন্নদাতা’ হিট হওয়ার পর আমাদের দুজনকে জুটি করে আরও ছবির কথা চলছিল।
সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পরেও আমি বাদ পড়ি। সেখানে ঋতুপর্ণাকে নেওয়া হয়। নায়কের সঙ্গে প্রেম করলেই ছবির সুযোগ আসে। এই ইন্ডাস্ট্রিতে এটা একমাত্র নয়, এ রকম হাজারও গল্প রয়েছে।” এখন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত রাজি না হন? শ্রীলেখা বলেন, ‘‘যদি ঋতু না বলে দেয়, তবে মুম্বাইয়ের অভিনেত্রীকে প্রস্তাব দেব। হয় ঊর্মিলা মাতন্ডকর নয়তো দিয়া মির্জা।” করোনার লকডাউনের প্রায় পুরোটা সময় সিঙ্গাপুরে পরিবারের সঙ্গে কাটিয়েছেন ঋতুপর্ণা। সম্প্রতি কলকাতা ফিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। এখন দেখার বিষয়, শ্রীলেখার প্রস্তাবে সাড়া দেন কি-না।