স্টাফ রিপোর্টার, আগরতলা, ৯ ফেব্রুয়ারী।। প্রথম পর্যায়ের করোনা ভাইরাসের টিকা প্রদানে দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করলো ত্রিপুরা৷ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিক রাজেশ ভূষণ৷ নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে আধিকারিক রাজেশ ভূষণ জানান, সারা দেশের মধ্যে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল টিকাকরণের প্রথম পর্যায়ে ৬৫ শতাংশের বেশি টিকা প্রদান করেছে৷ এরমধ্যে ৭৮ শতাংশ টিকা প্রদান করে প্রথম স্থান দখল করেছে বিহার৷ ৭৭ শতাংশ টিকা প্রদান করে দ্বিতীয় স্থানে চলে এসেছে ত্রিপুরা৷
এদিকে ত্রিপুরাতেও সারা দেশের সাথে প্রথম পর্যায়ে টিকাকরণ করা হয়েছিলো চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যকর্মীদের৷ রাজ্যের টিকাকরণের ক্ষেত্রে প্রথম পর্যায়ের টিকা নিয়েছেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক৷ এছাড়া প্রথম পর্যায়ে যে সমস্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকা নেননি তারাও কিন্তু দ্বিতীয় পর্যায়ে টিকা নিতে পারবেন৷ ইতিমধ্যে রাজ্যে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় পর্যায়ের টিকাকরণের কাজ৷ এই পর্যায়ে বিএসএফ থেকে শুরু করে অন্যান্য আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানদের টিকাকরণের আওতায় নিয়ে আসা হবে৷
এছাড়া রাজ্যের সংবাদ মাধ্যমের সাথে যুক্ত সাংবাদিকদেরও দ্বিতীয় পর্যায়ে টিকাকরণের আওতায় নিয়ে আসা হবে৷ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সারা দেশের সাথে রাজ্যেও ৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে করোনা ভাইরাসের প্রথম পর্যায়ের টিকাকরণ প্রক্রিয়া৷ এদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিক রাজেশ ভূষণ সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে টিকাকরণে বিহারের পরই রয়েছে ত্রিপুরা৷ তৃতীয় স্থানে রয়েছে মধ্যপ্রদেশ৷ সেই রাজ্যে প্রথম পর্যায়ে টিকা প্রদান করা হয়েছে ৭৬ শতাংশ লোককে৷ এছাড়া ৭৩ শতাংশ টিকা প্রদান করে চতুর্থস্থানে রয়েছে উত্তরাখন্ড৷
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মিজোরামে টিকাকরণ করা হয়েছে ৬৯ শতাংশ লোককে৷ হিমাচলে ৬৮ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে ৬৮ শতাংশ, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ৬৭ শতাংশ, ওড়িষ্যায় ৭২ শতাংশ, রাজস্থানে ৬৭ শতাংশ, কেরালায় টিকাকরণ করা হয়েছে ৬৬ শতাংশ এবং লাক্ষাদ্বীপে এই টিকাকরণ করা হয়েছে ৬৬ শতাংশ লোককে৷
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিক আরো জানান, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে মপ আপ রাউন্ডের টিকাকরণের প্রস্তুতি৷ রাজ্যগুলির সমস্ত স্বাস্থ্য সেবাকর্মী ও সামনের সারির করোনা যোদ্ধারা যাতে টিকাকরণের বাইরে না থাকে সেজন্য দুই থেকে তিন পর্যায়ে এই রাউন্ডে টিকাকরণের ব্যবস্থা করতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পাল প্রমুখ৷