এদিন নারী সমিতির সদস্যরা পূর্ব অঞ্চল কমিটি অফিস থেকে মিছিলের মাধ্যমে বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে আশ্রম চৌমুহনিস্থিত এলাকার পূর্ব জোনাল অফিসে ডেপুটেশন প্রদান করা হয়। উপস্থিত সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতির রাজ্য কমিটির সদস্যা কৃষ্ণ রক্ষিত সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, দাবিগুলি পূরণ করা যায় না এমন নয়। দাবিগুলি পূরণ করা সম্ভব। রাজ্যের বর্তমান বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিশ্রুতি পালন করছে না।
রাজ্যবাসী জানতে চায় সরকার প্রতিশ্রুতি প্রতিপালনের কি ভূমিকা গ্রহণ করছে। সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে সামাজিক ভাতা ২ হাজার টাকা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ৫০ হাজারের অধিক ভাতা পাপ্যকের নাম সরকারি তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কমিশনারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কমিশনার বলেছিলেন স্কুটিনি করা হচ্ছে।
অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ভাতা বৃদ্ধি না করে বরং নাম কেটে দিয়েছে ভাতা পাপ্যকদের। এমনকি নতুন করে ভাতা নাম নথিভুক্ত করছে না সরকার। কিন্তু গরিব মানুষের নাম কেটে দেওয়াটা সম্পূর্ণ অমানবিক বলে অভিযোগ তুললেন তিনি। টুয়েপের কাজ ২০০ দিন এবং ৩৪০ টাকা মজুরি প্রদানের দাবি তুললেও সরকারের কোনো ভূমিকা নেই।
এমনকি রাস্তাগুলো সংস্কার হচ্ছে না বলে তিনি অভিযোগ তুলেন এদিন। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দপ্তরের কমিশনারের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এদিন পূর্ব জোনাল অফিসের আধিকারিকের কাছে দাবি সনদ তুলে দেন। প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন জোৎস্না সিনহা, অপর্ণা দেবনাথ, উমা চন্দ প্রমুখ।