অনলাইন ডেস্ক, ৭ ফেব্রুয়ারী।। প্রকৃতির তাণ্ডবের কাছে মানুষ অসহায়। বিরাট তুষার ধস উত্তরাখণ্ডে। হুড়মুড়িয়ে এগিয়ে এল বরফ-জল। ক্রমশ বেড়ে চলেছে জলের স্তর। নিখোঁজ ১৫০। বেশ কয়েকজনের ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা। বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছিল বৃষ্টিপাত, সঙ্গে তুষারপাত।
ইতিমধ্যে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। ধসের জন্য ধৌলিগঙ্গার বাঁধে ভাঙন ধরেছে। চামোলি হিমবাহে ফাটলের কারণেই এই ধস। জোশীমঠের কাছে গ্রামের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা। ধুলিগঙ্গার পাশের গ্রাম খালি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে উদ্ধার কাজে নেমেছে আইটিবিপি।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিভেন্দ্রা সিং রাওয়াত টুইট করে বলেন, “আমি নজর রাখছি গোটা ঘটনার উপর। আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি কোনও পুরানো ভিডিও শেয়ার করে আতঙ্ক ছড়াবেন না।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজন সকলের পদক্ষেপ। ধৈর্য রাখুন। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কাছে আমাদের হাত বাঁধা।” তিনি অলাকানন্দার নিম্নাঞ্চলে বন্যার সম্ভাবনাও কথা উল্লেখ করেছেন।
বদ্রীনাথ মন্দিরের কাছাকাছি এলাকায় ঘটেছে এই তুষার ধস। ২০১৩ সালে উত্তরাখণ্ডে যে ভয়াবহ তুষার ধসের কারণে হরপা বান হয়, তা ছিল কেদারনাথ মন্দির সংলগ্ন এলাকায়।
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চামোলির তপোবন এলাকার রেইনি গ্রামের কাছের বিদ্যুৎ প্রকল্প। জানা গিয়েছে, সেখানে যাঁরা কাজ করছিলেন তাঁদের ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।