ভারতের কৃষক আন্দোলন নিয়ে কদিন আগে টুইট করে আন্দোলনকারীদের সমর্থন করেছিলেন মার্কিন পপস্টার রিহানা, পরিবেশ কর্মী গ্রেটা থুনবার্গরা।
বিষয়টিকে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক চক্রান্ত আখ্যা দেয় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। বলা হয় ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে না জেনে এই মন্তব্য করা হচ্ছে, ভারত নিজেই এই সমস্যার সমাধান কর মতে সক্ষম। এরপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঐক্যবদ্ধ ভারতের প্রচার শুরু করে কেন্দ্র।
হ্যাস ট্যাগ ব্যবহার করে তাতে যোগ দেন শচীন তেন্ডুলকর, বিরাট কোহলি, সাইনা নেহওয়াল, অক্ষয় কুমার, লতা মঙ্গেশকাররা। আর এতেই যেন আগুনে ঘৃতাহূতি পড়ে। এইসব বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নেটিজেনদের একাংশ।
প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস ধরে কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যে দিল্লি সীমান্তে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কৃষকরা, তখন কেন চুপ ছিলেন এই তারকারা।
কেন প্রায় শতাধিক কৃষকের মৃত্যু, কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষকদের দফায় দফায় আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরেও কেন মুখ খোলেনি শচীন, অক্ষয়, লতারা। অনেকের মতে, রিহানা গায়িকা বলেই সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকরকে দিয়ে এই টুইট করানো হয়েছে।
কেউ কেউ লিখেছেন, ‘অ্যায় মেরে বতনকে লোগো’র মতো গান যিনি গান তিনি কীভাবে বিজেপি-আরএসএসের সুরে কথা বলতে পারেন! ‘কিশোর কুমার, মহম্মদ রফি না পেয়ে আপনি কী করে ভারতরত্ন পেলেন এতদিনে বুঝলাম’ এমন মন্তব্যও করেছেন কেউ কেউ।