বিয়ের সময় নীল-তৃণার চোখে মুখে উচ্ছ্বাস ছিল স্পষ্ট। তবে পিঁড়ি ধরে যখন ঘোরানো হচ্ছিল কিছুটা নববধূর মতোই লাজুক দেখাল তৃণা সাহাকে। শুভদৃষ্টির পর তৃণার পিঁড়ি ধরে যতটা সম্ভব উপরে তোলার চেষ্টা করলেন বন্ধুরা। তবে নীলের বন্ধুরাই বা কেন বাদ যাবেন! তাঁরাও নীলকে ধরে উপরে তুললেন। এমনই বিয়ের নানান মজাদার মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়েই বিয়ে নিমন্ত্রণ শুরু করেছিলেন নীল-তৃণা। সন্ধ্যায় তারকা জুটির বিয়ে শুরুর বেশ খানিকক্ষণ আগেই বিয়ে আসরে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নীলের সঙ্গে অবশ্য দেখা হয়নি। তবে তৃণার সঙ্গে দেখা করে তাঁকে আশীর্বাদ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কিছুক্ষণ সেখানে ছিলেন তিনি।
নীল-তৃণার বিয়ের আসরে বসেছিল নহবত। সানাইয়ের সুরে মজেছিলেন অতিথিরা। লাল-হলুদ রঙয়ের মিশেল আর আলোর সজ্জা ছিল নজর কাড়া। এছাড়াও লাল পেরে সাদা শাড়ি পরে মহিলাদের দেখা গিয়েছে স্যালাড কাউন্টারে। সার্ভিংয়ের ক্ষেত্রেও ছিল অভিনবত্ব। বিয়েবাড়ির সাজে ছিল বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। সবকিছুর মধ্যে আজকের শো-স্টপার নীল-তৃণার বিয়ের মেনু। ভেজ, ননভেজ দুই কাউন্টারেই ছিল রকমারি খাবার।
কড়াইশুঁটির কচুরি, ছোলার ডাল, বাটার নান, ভেটকি পাতুরি, বাসন্তী পোলাও, ডাল মাখানি, জিরা রাইস, চিতল মাছের মুইঠ্যা, চিংড়ি মালাইকারি, মেথি চিকেন, মটন কষা এইসবের পরে ছিল জিভে জল আনা ডেজার্ট। মালপোয়ার সঙ্গে ক্ষীর, মালাই চমচম, পাটিসাপ্টা, ভ্যানিলা আইসক্রিম ছিল মিষ্টির মেনুতে। ভেজ খাবারের মেনু পাশাপাশি রকমারি স্যালাড, স্টার্টার, চাট, চা-কফি-সফট ড্রিঙ্কস, আয়োজন ছিল ভরপুর।