উল্লেখ্য, দিন দুই আগেই ভারতের কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে মুখ খুলেছিলেন গ্রেটা। টুইট করে জানিয়েছিলেন, তিনি কৃষক আন্দোলনের পাশে আছেন।
এরপরেই, ভারতের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, আসল তথ্য ও ঘটনা না জেনের ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলাচ্ছেন গ্রেটার মতো আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা।
এটা ভারতকে বদনাম করার আন্তর্জাতিক চক্রান্ত। নিজের একটি টুইটকে আরএসএস-বিজেপিকে ফ্যাসিস্ট বলেও উল্লেখ করেছিলেন থুনবার্গ। পরে অবশ্য সেই টুইট মুছে দেওয়া হয়। এরপরেই গ্রেটার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ করল দিল্লি পুলিশ।
তবে এর পরেও নিজের অবস্থান থেকে সরতে নারাজ এই কিশোরী। বৃহস্পতিবার বিকেলে এক টুইট করে তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি এখনও কৃষকদের পাশে আছি, তাঁদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সমর্থন করছি। কোনও হিংসা, হুমকি, মানবাধিকার লঙ্ঘন আমার এই অবস্থান পাল্টাতে পারবে না’।